গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ

রাসূল পাক (সঃ) বিশেষ বিশেষ সময় বিশেষ বিশেষ দোয়া সাহাবায়ে কিরামকে শিক্ষা দেয়েছেন। আমাদের ব্যক্তিগত দৈনন্দিন জীবনে কতিপয়  প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহ নিন্মে প্রদত্ত হল। আমার বিশ্বাস কেউ ‍যদি এই গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ সঠিক ভাবে পর্যালোচনা করে ও গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ মুখস্ত করে নিয়মিত পাঠের অভ্যাস গড়ে তোলে তাহলে তার ইহকাল ও পরকাল হবে অনেক বেশি সুখময় এবং সে হবে দু’জাহানের কামিয়াবি জীবনের অধিকারী। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহঃ

গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ

 

গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ

০১। যদি কেহ নিজের স্বামীর মন আকৃস্ট করতে চায় তবে ৭ বার নিন্মের এ দোয়া পড়ে কোন মিষ্টি জিনিসে ফুঁক দিয়ে স্বামীকে খেতে দিবে। (ওয়ামিনান্নাছ মাইয়াত্তাখিযু মিং দুনিল্লাহী আংদাদাই ইউহিব্বুনাহুম কাহুবিল্লাহি ওয়াল্লাযীনা আমানু আশাদ্দু হুব্বাল্লিল্লাহি ওয়ালাও ইয়ারাল্লাযীনা জলামু ইয ইয়ারাওনাল আযাবা আন্নাল কুয়াতা লিল্লাহি জামীয়ান ওয়া আনাল্লাহা শাদীদুল আযাব)। তাহলে তার স্বামী তার উপরে মেহেরবান হবে।

 

০২। ‍যদি কেহ প্রত্যহ নামাযের পর সুরা ফাতিহা ১ বার, আয়াতুল কুরছি ১ বার, কুলিল্লাহুম্মা ১ বার এবং একবার এই নিম্নের দোয়া পড়ে (শাহিদাল্লাহু আন্নাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়া ওয়ালমালাইকাতু ওয়াউলুল ইলমি কাইমাম বিলকিছতি, লাইলাহা ইল্লাহু ওয়াল আঝঝুল হাকিম। ইন্নাদ্দীনা ইন্দাল্লাহিল ইসলাম। ওয়ামাখ তালাফাল্লাযিনা উতুল কিতাবা ইল্লা মিবা ‘দি মাজাআহুমুল ইলমু বাগইয়াম বাইনাহুম ওয়ামাই ইয়াকফুর বি আয়াতিল্লাহি ফাইনাল্লাহা ছারিউল হিছাব) তাহলে তার গোনাহ মাফ হবে। প্রত্যহ ৭টি প্রয়ােজন মিটায়ে দেয়া হবে। শত্রুর উপর জয়ী হবে, সব বিষয়ে উন্নতি হবে।

 

০৩। যদি কেহ সুরা বাকারার শেষ দুইটি আয়াত- (আমানার রাসূলু বিমা উংঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মুমিনুনা কুলুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসূলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ, ওয়াকালু ছামিনা ওয়া আতানা গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাছির । লা ইউকালিলফুল্লাহু নাফছান ইল্লা উছআহা লাহা মা কাছাবাত ওয়া আলাইহা মাক তাছাবাত। রাব্বানা লাতুআখিজনা ইন্নাছিনা আও আখতা’না। রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইছরাং কামা হামালতাহু আলাল্লাযিনা মিন কাবলিনা রাব্বানা ওয়ালা তুহালিনা মালা তাকাতালানা বিহি ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আংতা মাওলানা পাঙছুরনা আলাল কাউমিল কাফিরীন) পাঠ করে দোয়া করে তাহলে সে আল্লাহর নিকট যাহা চায় তাহাই পায় এবং তার অভাব দূর হয়। মনের আশা পূর্ণ হয় এবং শত্রু ধ্বংস হয়। 

০৪। যদি কেহ প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর ১ বার করে আয়াতুল কুরছি পাঠ করে, তবে তার রুহ আরামের সহিত কবজ হয় এবং শয়নকালে পড়িলে আল্লাহ পাক তার জান মাল হিফাজত করেন। কোন খানে রওয়ানা হওয়ার সময় পড়লে নিরাপদে থাকা যায়। শয়তানের আছর হইতে দূরে থাকা যায় এবং আশা পূর্ন হয়।

 

০৫। যদি কেহ ফজরের বাদে (ইয়া আল্লাহু) ১০০ বার পাঠ করার পরে (জাল্লাজালালুহু, ওয়া আম্মানাওয়ালুহু, ওয়াজাল্লা ছানাউহু, ওয়াক্কাদ্দাছাত আছমাউহু, ওয়াআজামা শানুহু, ওয়ালইলাহা গাইরুহু) পাঠ করে তাহলে তার পাপ মােচন হয়ে যাবে।

সব সময় “ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহু” “লাইলাহা ইল্লাল্লাহু” জেকের অন্তরে জারী রাখবে। শ্বান টানিতে আল্লা ছাড়িতে হু চলাফেরা উঠা বসা কথাবার্তা বলার সময়ও কলবের মধ্যে জেকের জারি রাখবে। জেকের করলে কলাব ছাফ হয়, গোনাহ মাফ হয়, আল্লাহ খুশি হয়, তখন আল্লাহর আরশ হেলিতে থাকে। খুশিতে ঐ বান্দার গােনাহ মাফ করে দেন।

০৬ | যদি কেহ নিজের সন্তানদেরকে কোরআন শরীফ শিক্ষ দেয়, হাশরের দিন তাহাকে বেহেশতী নূরের টুপি পরানাে হবে। তার আলাে সূর্যের আলাে হতেও বেশি আলাে হবে। যে ব্যক্তি কুরআন পড়ে ভুলে যায় তার কঠিন শাস্তি হবে। কুরআনের একটি আমল জানার মর্যাদা ১০০ রাকাত নফল নামায পড়ার চেয়েও উত্তম। উহার একটি অক্ষর পাঠ করলে দশটি নেকী পায়।

   যে গৃহে সর্বদা কুরআন তেলাওয়াত করা হয় সে গৃহের লােক সুখে বাস করে ও ফেরেশতাগণ সব সময় আসা যাওয়া করে। কুরআন শরীফের মধ্যে ৩০ পারা, ৭ মঞ্জিল, ১১৪ টি সুরা, ৬৬৬৬টি আয়াত, ৫৪০টি রুকু, ১৪টি ছিজদা আছে, সূরা ফাতিহা কুরআনের মা। সূরা ইয়াছিন কুরআনের দিল, সুরা আর রাহমান কোনআনের সৌন্দর্য। সুরা মুলুক পড়লে কবর আজাব মাফ হবে। প্রত্যহ সন্ধ্যার পর পড়তে হবে। সুরা ওয়াকেয়া প্রত্যহ সন্ধ্যার পর পাঠ করলে প্রচুর ধন দৌলত হবে।

     প্রত্যহ রাত্রে সূরা মুঝঝাম্মিল পাঠ করলে সুখে থাকা যায় ও দোজখের আগুন হইতে বাঁচা যায়। সূরা ফাতেহা ভােরে ৪০ বার পড়লে স্বাস্থ্য ভালাে থাকে। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করলে পুরা কোনআন খতম করার নেকী পাওয়া যায় । রােজ ২০০ বার পড়লে ৫০ বৎসরের পাপ মাফ হয়। রোজ ১০০০ বার পড়লে তার সব পাপ মাফ হবে। সূরা ইয়াছিন প্রত্যহ ভােরে পাঠ করলে মৃত্যু কষ্ট দূর হয়, আশা পুরা হয় । সূরা কাফেরুন একবার পাঠ করলে কুরাআনের ৪ ভাগের ১ ভাগ পড়ার নেকী হয় । সুরা ঝীলঝাল ১ বার পাঠ করলে কুআন শরীফের অর্ধেক পাঠ করার নেকী হয়।

 

০৭। যদি কেহ ইশার নামাযের পর অন্ধকারে বসে প্রত্যহ (ইয়ামালিকু ইয়াদ্দুসু) পড়ে তার সম্নান চিরস্থায়ী হবে।

 

০৮। যদি কেহ প্রতি নামাযের পর (ইয়া রাহমানু, ইয়া রাহিমু) ২১ বার করে পড়ে তার অলসতা দূর হবে। এবাদতে আনন্দ পাবে ।

 

০৯। যদি কেহ ফজরের পর (ইয়া রাহিমু) ৫০০ বার করে পড়ে সমস্ত মাখলুক তার উপর মেহেরবান হবে।

 

১০। যদি কেহ ফজরের ছুন্নত ও ফরজের মধ্যে ১১দিন পর্যন্ত ১০০ বার করে (ইয়া কাহ্হারু) পড়ে দুশমন তার নিকট নত থাকবে। 

 

১১। যদি কেহ জুমার রাত্রে ১২ টার সময় খােলা আকাশের নিচে কেবলামুখি হয়ে তিনটা ছিজদা করে আকাশের দিকে হাত উঠায়ে (ইয়া ওয়াহ্হাবু’) ১০০ বার পড়ে তার জটিল আশা পুরা হবে। আগে ও পরে ১১ বার করে দুরুদ শরীফ পড়তে হবে।

 

১২। যদি কেহ ফজরের পর ২১ বার করে (ইয়ারফিউ”) পড়ে তার কোন আশা অপূর্ণ থাকবে না।

 

১৩। যদি কেহ অজু করে কেবলামুখি হয়ে ৪ দিন পর্যন্ত । (ইয়া মুযিল্লু) ৭৫ বার করে পড়ে সিজদায় গিয়ে বলে, হে আল্লাহ অমুকের দুশমনি হতে আমাকে বাঁচাও। তবে সে ঐ দুশমনের দুশমনি হতে রক্ষা পাবে।

 

১৪। যদি কেহ প্রতি জুমার নামাযের বাদে ১০০ বার করে পড়ে (ইয়াগাফফারু ইয়াগফিরলি যুনুবী) তাহলে সে আল্লাহ পাকের দয়া পাবে।

 

১৫। যদি কেহ ফজরের নামাযের ছুন্নত ও ফরজের মধ্যে কয়েক বার পড়ে (ইয়া বাছিরু) তবে তার নেক আশা পুরা হবে এবং আছরের নামাযের পর ৭ বার পড়লে তার বালা মুছিবত দূর হবে।

 

১৬। যদি কেহ রােজ ৫০০ বার (ইয়া হাকামু) পড়ে তার ওয়াজে তাছির হবে, প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাযের পর ৮০ বার পড়লে কাহারও মুখাপেক্ষী হবে না।

 

১৭। যদি কেহ ফজর ও মাগরিবের পর প্রত্যহ ২ বার করে পড়ে (ইয়া ক্বাবিদু) তার উপর যাদুর আছর হবেনা। না হক বদ দোয়া লাগবে না। জ্বিন ভুতে কোন ক্ষতি করতে পারবে না। 

 

১৮। যদি কেহ ৩০০ বার করে তিন দিন পর্যন্ত (ইয়া বাছিতু) পড়ে পানিতে ফুক দিয়া তার স্বামীকে খাওয়ায় তার স্বামীর বদ মেজাজ দূর হবে, চরিত্রও ভালাে হবে। 

 

১৯। যদি কেহ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রে ২০ টুকরা রুটির উপর (ইয়া আদলু) লিখিয়া আহার করে, তাহলে ঘরের সব লােক ও গ্রামের সব লােক তার বাধ্য হবে এবং প্রত্যহ ৩০০০ বার পড়ে বিচারকের খেয়ালে ফুক দিলে ন্যায় বিচার পাবে।

 

২০। যদি কোন মেয়ে দুই রাকাত নফল নামায পড়ে বিবাহের নিয়তে ১০০০ বার (ইয়া লাতিফু) পড়ে অল্প দিনের মধ্যে তার বিবাহ হয়ে যাবে।

 

২১। যদি কেহ (ইয়া আজীমু) ৭ বার পড়ে পানিতে ফুক দিয়া পান করে তার পেটের ব্যথা ভালাে হবে।

 

২২। যদি কেহ সিজদায় গিয়া ৭ বার পড়ে (ইয়া রাব্বিগফিরলি) তাহলে তার যাবতীয় পাপ মাফ হবে ।।

 

২৩। যদি কাহারাে চক্ষে ছানী পড়ে তবে ৪১ বার (ইয়া শাকুরু) পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়া ঐ পানি চক্ষে দিবে (আর পান করবে) এভাবে ৭ দিন করলে চক্ষের ছানি দূর হবে। 

 

২৪। যদি কেহ বেশি বেশি করে (ইয়া আলীউ) পড়ে তার আশা পুরা হবে, কথায় কথায় মিথ্যা কথা তার মুখ থেকে বের হবে না। এবং ব্যাথা ফুলার জায়গায় ৩০০ বার পড়ে ফুঁক দিলে ভালাে হবে। ১০০০ বার পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়া ৭ দিন পর্যন্ত ঐ পানি নাক দিয়া টানিলে নাকের রক্ত পড়া বন্ধ হবে। 

 

২৫। যদি কেহ প্রত্যহ ৯০ বার (ইয়া কাবীরু) পড়ে তার রােগ ভালাে হবে।

 

দোয়া সমূহ

গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ এ প্রবন্ধটি সম্পূর্ন একটি শিক্ষামূলক পোষ্ট। তাই বেশি বেশি প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহ এ প্রবন্ধটি সেয়ার করে প্রচার কাজে সহযোগীতা করুন এবং সাথেই থাকুন…..

 

২৬। যদি কেহ (ইয়া হাফিজু) ৭ বার লিখে ডান হাতে বেঁধে জাহাজ ও নৌকায় চড়ে, ইনশাআল্লাহ উহা ডুবিবেনা এবং তার উপর জ্বিনের আছর হবে না, ১১ বার লিখে গলায় দিলে তার উপর বদ নজর পড়বে না।

 

২৭। যদি কারাে রােজা রাখতে কষ্ট হয় তবে। (ইয়া মুকিতু) ৭ বার পড়ে সুবাসিত ফুলে ফুঁক দিয়া ঘ্রাণ নিলে রােজা পূর্ণ করার শক্তি পাবে। ৭ বার পড়ে সুরমার উপর ফুঁক দিয়া চক্ষে দিলে চক্ষের যাবতীয় রােগ দূর হবে। এভাবে ৩ দিন করতে হবে। বাচ্চা অতিরিক্ত কাঁদলে ৭ বার পড়ে পানি শূন্য পেয়ালায় ফুঁক দিয়া ঐ পেয়ালায় পানি ভরে বাচ্চাকে খাওয়াবে। এভাবে ৭দিন করলে কান্না বন্ধ হবে।

 

২৮। যদি কেহ বৃহস্পতিবার হতে আরম্ভ করে ৭ দিন পর্যন্ত সকাল সন্ধ্যায় ৭০ বার করে পড়ে (হাছবিয়াল্লাহু হাছিব) তবে সে ১ বৎসর পর্যন্ত লােকের বদ নজর, প্রতিবেশীর অত্যাচার হতে রক্ষা পাবে। 

 

২৯। যদি কেহ মেশক জাফরাণ দ্বারা (ইয়া জালীলু) লিখে সঙ্গে রাখে অথবা ধুইয়া পান করে প্রত্যেক লােকে তাকে সম্নান করবে। ১০০০ বার পড়ে সাক্ষীর প্রতি লক্ষ্য করে ফুঁক দিলে ঐ মাল চোর ডাকাতে নিবে না।

 

৩০। যদি কাহারও স্বামী অথবা মা-বাপ কৃপণ হয় তবে (ইয়া কারিমু) ১০০০ বার পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়া পান করলে বখীলী দুর হবে এবং রাতে পড়তে পড়তে ঘুমালে সে সম্মানিত হবে।।

 

৩১। যদি কেহ কোথায়ও যাওয়ার সময় ঘরের সবাইকে একত্র করে (ইয়া রাকীবু) ৭ বার পড়ে ফুঁক দিয়া যায় তবে তাহারা বাড়িতে সুখে থাকবে। শুইবার সময় ৭ বার পড়ে চারিদিকে ফুঁক দিলে ঘরে চোর ডাকাত ঢােকবে না। ফোড়া অথবা পুরান ঘায়ে ৭ দিন প্রত্যহ ৩০০ বার পড়ে ফুঁক দিলে ভালাে হবে।

 

৩২। যদি কেহ শুক্রবার দিন ১০১ বার (ইয়া মুজিবু) লিখে সঙ্গে রাখে সে যে দোয়া করবে তাহাই কবুল হবে, ৭ দিন পর্যন্ত সকালে ১০০০ বার পড়লে তার চিঠির উত্তর আসবে।

 

৩৩। যদি কেহ ইশার পর ৫০০০ বার (ইয়া ওয়াছিউ) পড়ে তার রুজি বৃদ্ধি হবে। সব সময় পড়লে অনেক মালের অধিকারী হবে। প্রতি মাসে ত্রিশ দিন ১০০ বার করে পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়া পান করলে কুরআন শরীফ মুখস্ত করার শক্তি বৃদ্ধি পাবে। 

 

৩৪। যদি কেহ (ইয়া হাকিমু) ১০০০ বার পড়ে কোন খাদো বা লবণে ফুঁক দিয়ে স্বামী স্ত্রীকে খাওয়ায় তাহাদের মধ্যে মহাব্বত পয়দা হবে। জোহরের নামাযের পর ৯০ বার পড়লে সব মুশকিল আছান হবে।

 

৩৫। যদি কেহ (ইয়া ওদূদু) ১০০০ বার পড়ে কোন মিষ্টি জিনিসে ফুঁক দিয়ে অবাধ্য স্বামীকে ও অবাধ্য সন্তানকে খাওয়ায় তাহারা বাধ্য হবে। ৩০০০ বার পড়ে গােলাপী আতরে ফুঁক দিয়ে শরীরে মেখে স্বামীর নিকট গেলে স্বামী তাকে মুহাব্বত করবে।

 

৩৬। যদি কেহ ৭ বার (ইয়া বায়িছু) পড়ে নিজের শরীরে ফুঁক দিয়া হাকিমের নিকট যায় হাকিম তার সাথে ভালাে ব্যবহার করবে।

 

৩৭। যদি কেহ ২১ দিন যাবৎ ১০০০ বার করে = (ইয়া শাহীদু) পড়ে তার অন্তর হতে রিয়া দূর হয়ে যাবে। ভােরে আসমানের দিকে তাকায়ে ২১ বার পড়ে সন্তানের মাথায় ফুঁক দিলে সন্তান বাধ্যগত হবে। কেহ রােগ যন্ত্রণায় অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার শিয়রে দাঁড়ায়ে ১০১ বার পড়লে হুশ ফিরে আসবে।

 

৩৮। যদি কেহ শুক্রবার সূর্য উদয়ের এক ঘন্টা পর  (ইয়া কাবিউ) ৩০০০ বার পড়ে এভাবে ৭দিন পড়লে তার স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হবে। | 

 

৩৯। যদি কেহ রবিবার সকালে ৩৬০ বার করে (ইয়া মুবীনু) পড়ে প্রত্যেক কঠিন কাজ তার জন্যে সহজ হবে।

 

৪০। যদি কারাে স্বামী এবং মনিব বদ মেজাজী হয়, তবে (ইয়া ওয়ালিয়্যু) পড়তে পড়তে তার নিকট হাজীর হলে ভালাে ব্যবহার পাবে।

 

৪১। যদি কেহ প্রত্যহ ফজরের পর ১০০ বার করে (ইয়া হামীদু) পড়ে কোন শত্রু তার কোন ক্ষতি করতে সাহস পাবে না।

 

৪২। যদি কেহ প্রত্যহ জুমার রাত্রে এক হাজার একবার (ইয়া মুহছিয়ু) পড়ে আল্লাহর রহমতে তার কবর ও হাশরে আছান হবে ।

 

৪৩। যদি কারাে পেটের উপর শাহাদাত আঙ্গুল রেখে ৯০ বার (ইয়া মুবদীয়ু) পড়ে তার গর্ভ নষ্ট হবে না ।

 

৪৪। যদি কেহ নিদ্রা যাইবার সময় বুকের উপর হাত রেখে (ইয়া মুমিতু) পড়তে থাকে। সে নিজের মনকে বশ রাখিতে পারবে । 

 

৪৫। যদি কেহ অধিক পরিমাণে (ইয়া হাইয়্যু) পড়ে অথবা অন্য কেহ পাঠ করে রােগীর উপর ফুঁক দেয় রােগ মুক্ত হবে।

 

৪৬। যদি কেহ দ্বিপ্রহর রাত্রে সিজদায় গিয়া (ইয়া ছামাদু) ১১৫ বার পড়ে তবে কেহ তার উপর কোন জুলুম করতে পারবে না, বা কাহারও অধীন হইতে হবে না।

 

৪৭। যদি কেহ অজু করার কালে প্রত্যেক অঙ্গ ধােয়ার সময় (ইয়া কাদিরু) পড়ে সে শত্রুর উপর জয় হবে। কঠিন বিপদের সময় ৪১ বার পাঠ করলে বিপদ দূর হবে।

 

৪৮। যদি কারাে সন্তান না হয়, তবে একাধারে ৪০ দিন যাবৎ প্রত্যহ ৪০ বার করে (ইয়া আউয়ালু) পড়িলে তার সন্তান হবে ।

 

৪৯। যদি কেহ প্রত্যহ ১০০ বার (ইয়া আখিরু) পড়ে তবে আল্লাহ ব্যতীত তার অন্তরে অন্য কিছু স্থান পাবে না, পরকালের পথ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

 

৫০। যদি কেহ এশরাক নামাযের বাদ ৫০০ বার করে (ইয়া যাহিরু) পড়ে আল্লাহ পাক তার দিকে অপূর্ব্য দৃষ্টি রাখিবেন। 

islamic doya

আরোও বেশি বেশি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ এই প্রবন্ধটি পড়ুন এবং গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ মুখস্ত করুন। প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহ এটি একটি শিক্ষা মূলক পোষ্ট যা থেকে আপনি অনেক বেশি উপকৃত হতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ এ প্রবন্ধটি ভালো লাগলে তা বেশি বেশি সেয়ার করবেন। তাই দোয়া এর সাথেই থাকুন…………

 

৫১। যদি কেহ প্রত্যহ ৩০ বার করে (ইয়া বাতিনু) পড়ে তবে সে আল্লাহ পাকের কুদরতের রহস্য ও মানব জীবনের গভীর তত্ত্ব জানিতে পারবে।

 

৫২। যদি কোন মদ খাের, ব্যভিচারী রােজ ৭ বার (ইয়া বাররু) পড়ে তবে সে ঐ কুকাজ হতে বিরত হবে। কাহারাও সন্তান হওয়ার পর ঐ নাম ৭ বার পড়ে ঐ সন্তানের উপর ফুঁক দিয়া আল্লাহর উপর সােপর্দ করলে ঐ সন্তান যৌবন পর্যন্ত সব বিপদ আপদ হতে মুক্ত থাকবে ।

 

৫৩। যদি কেহ চাশত নামাযের বাদে (ইয়া তাওয়াবু) ৩৬০ বার পড়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে খাঁটিভাবে তওবা করার তাওফীক দান করবেন।

 

৫৪। যদি কেহ ১০ বার করে (ইয়া রাউফু) পড়ে কোন অত্যাচারীর হাত হইতে কোন মজলুমকে মুক্ত করার সুপারিশ করে তাহা মঞ্জুর হবে, সর্বদা পাঠ করলে তার অন্তর কোমল হবে, সব লােকের সঙ্গে তার সদভাব জন্মিবে ।

 

৫৫। যদি কেহ সব সময় (ইয়া মালিকাল মুলকি) পড়ে সে শান্তিতে জীবন কাটাতে পারবে, কাহারাে নিকট হাত পাততে হবে না ।

 

৫৬। যদি কেহ প্রত্যহ ১০০ বার করে (ইয়া মুকছিতু) পড়ে সে শয়তানের ক্ষতি হতে বাঁচতে পারবে, মনের আশা পূর্ণ হবে।

 

৫৭। যদি কারাে আত্নীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে থাকে তবে সে চাশতের নামাযের সময় গােছল করে আকাশের দিকে মুখ করে ১০ বার (ইয়া জামিউ) পড়ে আঙ্গুল বন্ধ করে দুই হাত ও মুখ মাথার উপর মছিয়া নিবে, ইহাতে কয়েক দিনের মধ্যে সব লােক এক স্থানে এসে হাজির হবে ।

 

৫৮। যদি কেহ নাক, মুখ ও কানের উপর হাত রেখে (ইয়া গানিয়্যু) কয়েকবার পড়ে তার লােভ লালসা দূর হবে, প্রত্যহ ৭০ বার পড়লে মালে বরকত হবে কাহারাে নিকট হাত পাততে হবে না।

 

৫৯। যদি কারাে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয় তবে তারা শুইতে যাওয়ার সময় ২০ বার করে (ইয়া মানিউ) পড়লে তাদের মনােমালিন্য দূর হবে।

 

৬০। যদি কেহ শক্রবার রাত্রে (ইয়া দাররু) ১০০ বার পড়ে আল্লাহ পাক তাকে বােজর্গ লােকের সংস্পর্শে রাখবেন।

 

৬১। যদি কেহ কোন কাজ শুরু করার সময় ৪১ বার (ইয়া নাফিউ) পড়ে তার আশা সফল হবে এবং কোন বাহনে আরােহণ করে এই নাম পড়লে বিপদ হইতে মুক্ত থাকবে।

 

৬২। যদি কেহ জুমআর রাত্রে ১০০ বার (ইয়া বাকিয়ু) পড়ে তার সব আমল কার্যকরী হবে।

 

৬৩। যদি কেহ কঠিন বিপদে পড়ে ১০০০ বার (ইয়া বাদীআচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদি) পড়ে তবে তার যাবতীয় বিপদ দুর হয়ে যাবে।

 

৬৪। যদি কেহ সূর্যোদয়ের সময় ১০০ বার (ইয়া ওয়ারিছু) পড়ে তার মাগফেরাত নছীব হবে। 

 

৬৫। যদি কেহ বিপদের সময় ১০২০ বার (ইয়া ছাবুরু) পড়ে তার মনে সান্তনা আসিবে এবং প্রত্যহ ৭ বার করে পড়লে দুশমন হিংসুক গণ দুর্বল হয়ে যাবে এবং মনিবের দিল নরম হবে।

 

Bangla best doya

গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ মুখস্ত করুন। এটি একটি শিক্ষা মূলক পোষ্ট যা থেকে আপনি অনেক বেশি উপকৃত হতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ এ প্রবন্ধটি ভালো লাগলে তা বেশি বেশি সেয়ার করবেন। তাই Bangla best doya দোয়া এর সাথেই থাকুন…………

 

৬৬। ছোট বড় সব মুসলমান ভাই-বােন, পিতা-মাতা, স্বামী, শ্বশুর-শ্বাশুরী ইত্যাদি মাহরাম লােকদের সাথে সাক্ষাৎ হওয়া মাত্রই বলিতে হয়। 

 অর্থাৎ, আপনার উপরে শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হউক।

 

৬৭। ছালামের উত্তরে বলিতে হয় (ওয়া-আলাইকুমুচ্ছালামু ওয়ারাহমাতুল্লাহ)। অর্থ আপনার উপরেও শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হউক।

 

৬৮। মােছাফাহা করার সময় এই দোয়া পড়িতে হয়। (ইয়াগ ফিরুল্লাহুলানা ওয়ালাকুম)।

 

৬৯। মােলাকাত করিবার সময় এই দোয়া পড়িতে হয় (আল্লাহুম্মা ঝিদ মাহাব্বাতী লিল্লাহি ওয়ারাছুলিহী)।

 

৭০। পায়খানা প্রস্রাবে যাইবার সময় বাম পা আগে রাখিয়া এই দোয়া পড়িতে হয় (আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবছি ওয়াল খাবাইছ)।

 

৭১। পায়খানা প্রস্রাব করিয়া বাহির হইাকার সময় ডান পা আগে ফেলিয়া এই দোয়া পাড়িতে হয় (গােফরানাকা আল-হামদু লিল্লাহিল্লাযী আযহাবা আন্নীল আযা ওয়াআফানী)।

 

৭২। খাওয়ার প্রথমে এই দোয়া পড়িতে হয় (বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহি)।

 

৭৩। খাওয়ার শেষে এই দোয়া পড়িতে হয় (আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আতআমানা ওয়া ছাকানা ওয়াজাআলানা মিনাল মুছলিমীন)।

 

৭৪। হাঁচি আসিলে এই দোয়া পড়িতে হয় (আলহামদু লিল্লাহি)।

 

৭৫। হাঁচির দোয়া শুনিয়া এই দোয়া পড়িতে হয় (ইয়ারহামুকাল্লা)।

 

৭৬। হাই আসিলে এই দোয়া পড়িতে হয়া (লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিয়্যীল আযীম)।

 

৭৭। কোন জিনিস হারাইলে বা কোন মুসলমানের মৃত্যু সংবাদ শুনিলে এই দোয়া পড়িতে হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

৭৮। বিজলী চমকাইলে এই দোয়া পড়তে হয় (আল্লাহুম্মা লাতাক্তুলনা বিগাদাবিকা ওয়ালা  তুহলিকনা বিআযাবিকা ওয়া-আ’ফিনা ক্বাবলা যালিকা)।

 

৭৯। যদি কেহ রোজ ১০০ বার (আল্লাহুম্মাছতুর আওরাতিনা ওয়াআমিন রাওআতিনা) পড়ে তাহলে সে শত্রুতা হতে রক্ষা পাবে।

 

৮০। যদি কেহ প্রত্যহ তিনশত বার (ইয়া শাফিয়াল আমরাদ্ব) পড়ে তার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

 

আমার বিশ্বাস আপনারা মনোযোগ সহকারে এ প্রবন্ধটি পাঠ করেছেন। আশা করি এ প্রবন্ধটি পড়ে আপনার কাছে ভালো লেগেছে । ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এবং এ প্রবন্ধটির কোথায়ও ভুল থাকলে তা কমেন্ট করে জানাবেন ও পরবর্তী কি নিয়ে লিখবো তা এই প্রবন্ধের নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে আমল করার তৈফিক দান করুন। আমিন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x
error: Content is protected !!