বাদামের উপকারিতা

বাদাম একটি খুব জনপ্রিয় খাবার। কারণ বাদামে উপস্থিত সব গুণ রয়েছে। বাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলির পরিমাণ অনেক বেশি, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পুষ্টির দিক থেকে বাদামের কোনো বিকল্প নেই। এতে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রোটিন রয়েছে। যা স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অনেকেই বাদাম খেতে পছন্দ করেন। এটা অজানা নয় যে নিয়মিত বাদাম রোগ নির্মূল করে। কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। বাদাম খাওয়ার যেমন উপকারিতা আছে তেমনি অসুবিধাও আছে। বাদাম আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে সবল রাখতে এবং সুস্থ শরীর গঠনে নিয়মিত বাদাম খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এছাড়াও বাদাম আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। চলুন দেখে নেওয়া যাক বাদামের উপকারিতা সমূহ। আজ আমরা বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব। নিচে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো-

বাদামের উপকারিতা

 

বাদামের উপকারিতা

Contents hide
1 বাদামের উপকারিতা
1.2 বাদামের উপকারিতা সমূহ

প্রথমেই আমরা আলোচনা করবো বাদাম কত প্রকার ও কি কি? এবং প্রত্যেক প্রকার বাদামের বর্ননা। তারপর পরই আলোচনা করবো বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা সমূহ। তো চলুন শুরু করা যাক ধারাবাহিক আলোচনা। জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। আশা করি অনেক বেশি উপকৃত হবেন।

 

বাদামের প্রকারভেদ

বাদাম অনেক ধরনের হলেও বাদামকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। নিচে বাদামের প্রকারভেদ দেওয়া হল-

কাঠ বাদাম

কাঠ বাদামকে বলা হয় আমন্ড বাদাম। এই বাদাম বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। গোল চেহারার এই বাদাম রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি হজমশক্তি বাড়ায়।

চীনা বাদাম

চীনা বাদাম অত্যান্ত পুষ্টিকর বাদাম। অন্যান্য বাদামের তুলনায় এই বাদাম বেশি জনপ্রিয়। কারণ এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিন সঠিক পরিমাণে চীনা বাদাম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী। এতে ৪.৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৭.১ গ্রাম প্রোটিন, ১৩.৬ গ্রাম ফ্যাট এবং ১৫৮ ক্যালরি রয়েছে।

 

কাজু বাদাম

কাজুবাদাম আমরা বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করি। এছাড়াও এই বাদাম স্বাদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। আর এই বাদাম বিভিন্ন রোগের জন্য উপকারী। হৃদরোগীদের জন্য এই বাদাম খাওয়া ভালো। নিয়মিত এক মুঠো কাজুবাদাম খেলে যেমন শরীর ফিট থাকে, তেমনি ক্যান্সার থেকেও দূরে রাখতে পারে।

 

পেস্তা বাদাম

পেস্তা বাদাম একটি সুস্বাদু বাদাম। এটি আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর। পেস্তা বাদামে ৫.৮ গ্রাম প্রোটিন, ১৫৬ ক্যালরি, ২.৯ গ্রাম ফাইবার, ১২.৪ গ্রাম ফ্যট সমৃদ্ধ। যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে। এটি রক্তকে বিশুদ্ধ করে। নিয়মিত পেস্তা বাদাম খেলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়া সম্ভব।

 

বাদামের উপকারিতা সমূহ

 

ক্লান্তি দূর করে

বাদাম শক্তির অন্যতম উৎস। বাদাম খেয়ে যে কেউ ভালো পরিমাণে শক্তি শোষণ করতে পারে। শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি থাকলে ক্লান্তি চলে যায়।

 

মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে

কাজুবাদামে এক ধরনের তেল থাকে যা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। এ জন্য এটি একটি শক্তিশালী খাবার হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও বাদামে রয়েছে ভিটামিন বি, যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাদাম

আমাদের শরীরের ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানীরা একাধিকবার গবেষণা করেছেন যে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি তরুণ এবং বয়স্ক সকলের উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। আর ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে সৃষ্ট এই রক্তচাপ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে। দীর্ঘায়িত উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, কিডনি নষ্ট হওয়া, ব্রেন স্ট্রোক ইত্যাদির মতো গুরুতর অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। কিন্তু বাদামে সঠিক পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। তাই এখন বোঝা যাচ্ছে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাদামের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

 

সুস্থ হৃদয়

বাদামে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে যা হার্টের জন্য খুবই ভালো। এতে জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, কপার এবং আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে যা রক্ত ​​সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং হৃদরোগে সহায়তা করে।

 

মেজাজ ভালো রাখে

আপনি যদি দিনে অন্তত একবার বাদাম খান তবে আপনাকে ক্যালোরির জন্য অতিরিক্ত খাবার খেতে হবে না। বাদাম খাদ্য মেজাজ হিসাবে পরিচিত হয়। তাই এটি মনের বিষন্নতা দূর করে মনকে সতেজ করে। বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে একজন ব্যক্তি নিয়মিত বাদাম খান তাদের মেজাজ অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক ভালো থাকে। যখন তাদের আচরণ অনেক নিয়ন্ত্রিত হয়।

 

বাদাম পুষ্টির ঘাটতি দূর করে

পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে মানবদেহের প্রয়োজন ফাইবার, পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-ই/বি ইত্যাদি। আর বাদামে স্বাভাবিকভাবেই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে।

বাদামে আছে ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ৬ গ্রাম ফ্যাটি অ্যাসিড। মূলত বাদামের উপাদানগুলো শরীরের অনেক ক্ষতিকর ছোটখাটো অসুখ থেকে দূরে রাখে। যেহেতু বাদামে খুব বেশি চর্বি থাকে না, তাই বাদাম খেলে অতিরিক্ত ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না। বরং বাদাম শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

 

ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সাধারণত আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে কোষের ক্ষতি কমায়। ক্যান্সারের প্রধান কারণ অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধি। ফলে একই রকম ক্যান্সার হয়। সেক্ষেত্রে বাদামে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। তাই বাদাম আমাদের শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

 

বাদাম হজমশক্তি বাড়ায়

শরীর রক্ষায় বাদাম নিয়মিত খাওয়া উচিত। কেউ যদি প্রতিদিন ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান, তাহলে অন্ত্রে কিছু নির্দিষ্ট এনজাইম নিঃসৃত হয়, যা হজমে বড় ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বাদাম হজম শক্তি বাড়ায়।

 

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে বাদামের ভূমিকা

বেশি ভাত খেলে কি হয়? ভাতে প্রচুর শর্করা থাকে। আর এই শর্করা আমাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। এর মানে হল যে আমরা যত বেশি ভাত বা চিনিযুক্ত খাবার খাই, তত বেশি ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রতিদিন বাদাম খেলে আমাদের ক্ষুধা অনেক কমে যায় এবং পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বাদাম

বাদাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। বাদামে থাকা উপাদানগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই বোঝা যাচ্ছে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বাদাম অপরিহার্য।

 

বাদাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

হৃদরোগের অনেক কারণের মধ্যে একটি হল ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। আর কোলেস্টেরলের এই অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে দুর্বল হার্টসহ বিভিন্ন হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমাদের শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা যাতে বাড়ে না যায় সেদিকে সব সময় লক্ষ্য রাখা উচিত। এই পরিস্থিতিতে আমাদের কি করা উচিত? আমাদের যা করতে হবে তা হল প্রতিদিন কিছু বাদাম খাওয়া। কারণ বাদামের একটি বিশেষ উপাদান আমাদের শরীরে তৈরি হওয়া এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ করে।

 

বাদাম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে

ম্যাগনেসিয়াম এমন একটি পদার্থ যা আমাদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম। তাই বাদাম খেলে আমরা আমাদের শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বাড়াতে পারি এবং তা আমাদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই সুস্থ শরীর গড়তে হলে প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

 

বাদাম মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

গ্রামাঞ্চলে পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের বেশি বাদাম খাওয়ানো হতো। বাদামের জ্ঞানীয় শক্তি আছে। আর এই জ্ঞানীয় শক্তি আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়। ফলে বাদাম মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

 

বাদাম হাড় ও দাঁত মজবুত করে

বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস থাকে। আর আমরা জানি যে শরীরের একমাত্র উপাদান হল ফসফরাস, যা শরীরের হাড় গঠন, মজবুত ও দাঁতকে মজবুত করতে ভূমিকা রাখে। কেউ যদি প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বাদাম খান তাহলে তার শরীরের হাড় আগের থেকে বহুগুণ মজবুত হবে এবং সে হাড়ের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকবে।

 

স্ক্রিন সেলের ক্ষমতা বাড়ায়

বাদামে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে অনেক উপকারী কাজ করে। তার মধ্যে একটি হলো শরীরের দুর্বল ও অনিয়ন্ত্রিত কোষগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রয়োজনে দুর্বল কোষগুলোকে শক্তিশালী করা। শরীরের কোনো অংশের কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%। তাই প্রতিদিন বাদাম খেলে আমরা সেই উপকারগুলো পেতে পারি।

বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

বাদামে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। আমরা জানি যে যখন আমাদের শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় তখন আমাদের ডায়াবেটিস বলা হয়। ম্যাগনেসিয়াম এমন একটি পদার্থ যা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। তাই বাদামে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড সুগার কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 

বাদাম শরীরের মেদ কমায়

শুনতে একটু অস্বস্তিকর মনে হলেও বাস্তবতা তাই। বাদামে থাকা ভিটামিন-সি এবং অন্যান্য কিছু বিশেষ উপাদান আমাদের শরীরে অ্যালকোহল কমাতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও, যেহেতু এটি শরীরে চিনির পরিমাণ কমায়, তাই এটি শরীরে মেদ জমতে দেয় না বরং পূর্বে সঞ্চিত চর্বি বা মেদ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যায়।

 

বাদাম পিঠের ব্যথা কমায়

যারা দীর্ঘদিন ধরে পিঠের ব্যথায় ভুগছেন তারা বাদাম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে কিছুটা আরাম পেতে পারেন। বাদামের উপাদান কোমর ব্যথা উপশমে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

 

 

আমি উক্ত আলোচনায় বাদামের উপকার সম্পর্কে ধারনা দিয়েছি। আমরা জানি যে সবকিছুরই অল্প পরিমাণে হলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। বাদামেও তার ব্যতিক্রম নয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক বেশি বেশি বাদাম খেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বেশি বেশি বাদাম খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই নিচে বাদামের অপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলো-

 

 

বাদামের অপকারিতা সমূহ

 

ওজন বাড়াতে পারে

বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে বাদামের উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছি, এতে প্রোটিন ও চর্বি বেশি থাকে। তাই বেশি বাদাম খেলে মোটা হতে পারে। কাঠ বাদাম ওজন কমানোর পাশাপাশি বেশি খেলে ওজন বাড়ায়। এছাড়াও অন্যান্য বাদাম রয়েছে যা সঠিক পরিমাণে না খেলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বাদাম যোগ করার সময় এক-চতুর্থাংশ রাখুন।

 

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা

আপনি বাদাম পছন্দ করেন এবং আপনি প্রতিদিন আপনার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেলে (২০০ গ্রাম বা তার বেশি)। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কারণ এটি বাদামের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

 

অ্যালার্জি সমস্যা

বাদামের অনেক উপকারিতা আছে, তবে সঠিক উপায়ে বাদাম ব্যবহার না করলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। তার মধ্যে একটি হল অ্যালার্জির সমস্যা। কারণ বাদামে অ্যালার্জির প্রবণতা বেশি থাকে। তাই বাদাম খাওয়ার আগে জেনে নিন কোন বাদামে আপনার অ্যালার্জি আছে।
Key point: গবেষণায় দেখা গেছে যে কিছু লোকের চীনা বাদাম খাওয়ার অ্যালার্জি রয়েছে যা খুবই গুরুতর।

 

ঔষুধের কাজে বাধা

বাদামে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম ঔষুধের ক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে। ফলে রোগ নির্মূল হতে দেরি হয়ে যায়। আশা করি, আপনি বাদামের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি জানেন। এখন সঠিক পরিমাণে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

তাই উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে বাদামের অনেক উপকারিতা আবার কিছু ক্ষেত্রে বাদামের অনেক অপকারিতাও রয়েছে। বাদামের যেমন কিছু উপকারিতা আছে তেমনি কিছু অপকারিতাও রয়েছে। তবে অবশ্যই সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত বাদাম খাওয়ার বিকল্প খুব কমই আছে। তাই প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং সুস্থ থাকুন। অবশ্যই পরিমিত বাদাম খান এবং বাদামের উপকারিতা থেকে উপকার পাবেন।

মূল বিষয়: কোন কিছুই বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!